1. admin@thedailyagnikontho.com : admin :
ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তাপাড়ে বিলীন হচ্ছে মহিষ পালনের ঐতিহ্য - দৈনিক অগ্নিকন্ঠ

শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ ক্রাউন প্রিন্স সালমানের গ্যাস-বিদ্যুৎ নিশ্চিতের দাবি জানালে সরকার বলছে হঠকারিতা: নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই দেশের মানুষের ঐক্যের ভিত্তি: তথ্যমন্ত্রী বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তহীন পথ চলছে সরকার: মাহদী আমিন হারানো বিজ্ঞপ্তি সরকারি দপ্তর-সংস্থায় পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ চালু করা হবে: প্রতিমন্ত্রী কুষ্টিয়া এলজিইডিতে উন্নয়নকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করতে তৎপরতা বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী ইরানে উন্নতমানের এক লিটার পেট্রোল বিক্রি হবে প্রায় ৯ লাখ রিয়ালে
ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তাপাড়ে বিলীন হচ্ছে মহিষ পালনের ঐতিহ্য

ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তাপাড়ে বিলীন হচ্ছে মহিষ পালনের ঐতিহ্য

এক সময় চরাঞ্চলের পরিচিত দৃশ্য ছিল মহিষের পাল। জেলার ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার ও তিস্তা নদীর চরে সকাল-বিকাল ঘুরে বেড়ানো মহিষের পাল ছিল যেন চরবাসীর জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখন সে দৃশ্য কেবল স্মৃতি। চরজুড়ে হয়তো দু-একটি মহিষ চোখে পড়ে, কিন্তু পুরনো সেই চিত্র আর নেই। প্রাণীসম্পদ বিভাগ আশঙ্কা করছে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে চরাঞ্চল থেকে মহিষ একেবারে হারিয়ে যেতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে মহিষ সংরক্ষণে জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা এলাকায় একটি মহিষ প্রজনন খামার স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সরকারের কাছে। প্রাণীসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, দশ বছর আগেও কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে প্রায় ৪৫ হাজার মহিষ ছিল, যা বর্তমানে নেমে এসেছে মাত্র ৩ হাজার ৮শ’তে। চরবাসীদের মতে, উন্নত জাতের অভাবে মহিষ পালনে আগ্রহ হারিয়েছেন তারা।

পাশাপাশি তৃণভূমির ঘাটতিও একটি বড় সমস্যা। এখন আর আগের মতো খোলা জমি অব্যবহৃত পড়ে নেই,প্রায় প্রতিটি ইঞ্চি জমিই এখন আবাদি। ফলে মহিষের জন্য প্রয়োজনীয় ঘাস ও পরিবেশ মিলছে না। রৌমারী উপজেলার চর শৌলমারী ইউনিয়নের ঘুঘুমারী চরের কৃষক জাকের আলী (৬৫) বলেন, ‘দশ বছর আগে আমার ১৬টি মহিষ ছিল। এখন মাত্র দুটি আছে, তাও বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছি।

আগে মহিষের দুধ দিয়ে দই, ছানা হতো খুবই সুস্বাদু। এখন লাভজনক নয় বলেই আর রাখা সম্ভব হচ্ছে না। জেলার সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চর যাত্রাপুর এলাকার শামসুল ইসলাম (৭০) বলেন, ‘এক সময় মহিষ পালন চরাঞ্চলের ঐতিহ্য ছিল। এখন তা প্রায় বিলুপ্ত। দু-একজন রাখলেও আগের মতো তৃণভূমি নেই, যেটা মহিষ পালনের জন্য সবচেয়ে জরুরি।

উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের চর বেগমগঞ্জের মিষ্টি বিক্রেতা নাসির উদ্দিন (৬০) বলেন, ‘আগে মহিষের দুধ দিয়ে দই-ছানা বানিয়ে শহরে মিষ্টি বিক্রি করতাম। এখন চার বছর ধরে সে ব্যবসা বন্ধ। দুধ পাই না, মহিষ তো নেই বললেই চলে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2025 thedailyagnikontho.com